• ১লা মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ শুক্রবার রাত ৮:১৪
S M Tajul Islam মে ১, ২০২৬

শ্রম-শ্রমিক এই দুয়ের ওপরেই আজকের আধুনিক সভ্যতা: কাদের গনি চৌধুরী

ঢাকা : বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী বলেছেন, শ্রম, শ্রমিক এই দুয়ের ওপরেই গড়ে উঠেছে আজকের আধুনিক সভ্যতা।

তিনি বলেন, সভ্যতার বিকাশে শ্রমিকের অবদান সবচেয়ে বেশি। কিন্তু তারাই পায় না শ্রমের মর্যাদা। অবহেলায় কাটে তাদের দিন।

প্রাপ্য মর্যাদাও জোটে না কখনো কখনো। শ্রমজীবী মানুষ হিসেবে বাংলাদেশের সাংবাদিকরা সবচেয়ে বেশি বঞ্চনার শিকার হচ্ছেন। অধিকাংশ মিডিয়ার সাংবাদিকদের ওয়েজবোর্ড অনুযায়ী বেতন-ভাতা দেন না। অথচ ওয়েজবোর্ডে বেতন দেন এমন মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিজ্ঞাপন নেন। এসব ঠকবাজ মালিকদের বিরুদ্ধে ইউনিয়নকে সক্রিয় হতে হবে।

শুক্রবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে মহান মে দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব বলেন।

বিএফইউজের সভাপতি ওবায়দুর রহমান শাহীনের সভাপতিত্বে ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক খুরশীদ আলমের সঞ্চালনায় মুখ্য আলোচকের ভাষণ দেন যুগান্তর পত্রিকার সম্পাদক কবি আবদুল হাই শিকদার।

আলোচনায় অংশ নেন ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি শহিদুল ইসলাম, একেএম মহসিন, খায়রুল বাশার, এরফানুল হক নাহিদ, আবু বকর, বাবুল তালুকদার ,শাহজান সাজু, রফিক মুহাম্মদ, মোদাব্বের হোসেন, দিদারুল আলম, শাহনাজ পলি, খন্দকার আলমগীর। আরও উপস্থিত ছিলেন এম মোশাররফ হোসেন, তালুকদার রুমি, আবদুল্লাহ মজুমদার, নিজাম উদ্দিন দরবেশ, রাজু আহমেদ, এস এম তাজুল ইসলাম, রাসেল আহমেদ, তালুকদার বেলাল, মেহেরাব হোসেন অভি, আশ্রাফ আহমেদ প্রমুখ।

এ সময় কাদের গনি চৌধুরী বলেন, আজ আমরা যে আরামের অট্টালিকায় দিন কাটাই সেসব শ্রমিকের ঘামে গড়া। প্রতিটি ইটে লেগে আছে ঘাম। শ্রম, শ্রমিক এই দুয়ের ওপরেই আজকের আধুনিক সভ্যতা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আমাদের সুউচ্চ অট্টালিকা শ্রমিকদের ঘামের উপরেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। অথচ আজকের সমাজ যেন কুলি-মজুর এবং সাহেব এই দুই শ্রেণিতে ভাগ হয়ে গেছে।

সভ্যতা যতই অগ্রসর হচ্ছে ততই এই বিভাজন শক্ত হচ্ছে। এই পার্থক্য গড়ছে অর্থ। যার অর্থ আছে সে মালিক। আর যার নেই সেই শ্রমিক! অথচ সবাই কাজ করে, ফলে সবাই শ্রম দেয় অর্থাৎ শ্রমিক। তবু মালিকের ভূমিকায় যারা আছেন তারা এই সহজ সত্য উপলদ্ধি করতে পারে না আর পারলেও তা স্বীকার করতে চান না।
আবদুল হাই শিকদার বলেন, অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে দৈনিক বাংলা, বাংলাদেশ টাইমস, বিচিত্রা, আনন্দ বিচিত্রা বন্ধ করে দেয়া হয়েছি। এর জন্য শেখ হাসিনা সরকার যেমন দায়ী, আমাদের সাংবাদিক নেতারাও কম দায়ী নন। এই চারটি পত্রিকা পুনরায় চালু করতে হবে। এতে অন্তত ১৫’শ সাংবাদিক চাকরির সুযোগ পাবেন।

তিনি বলেন, ওই চারটি পত্রিকায় ভিন্নমতের (বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী) সাংবাদিকদের প্রাধান্য ছিল বলেই পরিকল্পত ভাবে এসব পত্রিকা বন্ধ করে দিয়েছিল। এতে শত শত সাংবাদিক বেকার হয়ে পড়েন।

শহিদুল ইসলাম বলেন, অধিকাংশ সংবাদ মাধ্যম ওয়েজ বোর্ড অনুযায়ী বেতন দেয় না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *