“বৈধতার ভিত্তি জনগণ না সংবিধান” শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
ঢাকা : “বৈধতার ভিত্তি জনগণ না সংবিধান” শীর্ষক এক আলোচনা সভা আয়োজন করেছে বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন। এতে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন সোহরাব হোসেন।
৯ মে জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে আলোচনা সভায় সোহরাব হোসেন বলেন, রাষ্ট্র সংস্কারের নামে খণ্ডিত কমিশন গঠন করে প্রকৃত পরিবর্তন সম্ভব নয়। রাষ্ট্র কেমন হবে, জনগণের অধিকার কীভাবে নিশ্চিত হবে এবং জনজীবনের বাস্তব সংকট কীভাবে দূর হবে— এসব মৌলিক প্রশ্নের উত্তর এখনো স্পষ্ট নয় বলে তিনি মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, “জুলাই সনদ” নিয়ে দেশে ব্যাপক আলোচনা থাকলেও রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ তিনটি পক্ষই এ বিষয়ে নীরব রয়েছে। জনগণের প্রত্যাশার সঙ্গে এই সনদের বাস্তবতার মিল নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তার ভাষ্য, যে জনগণ রাজপথে নেমে এসেছিল, তাদের আকাঙ্ক্ষা ও এই সনদের মধ্যে দৃশ্যমান কোনো সামঞ্জস্য নেই।
সোহরাব হোসেন আরও বলেন, স্বাধীনতার পর এ ধরনের কোনো আন্তর্জাতিক চুক্তি হয়নি, যেটি সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হয়েছে। এ বিষয়ে জনগণের সামনে স্বচ্ছ ব্যাখ্যা তুলে ধরা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, “এই রাষ্ট্র ১৭ কোটি মানুষের রাষ্ট্র হবে। কোনো বৈষম্যমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা টিকতে পারে না। পরিবর্তনের অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করতে হলে জনগণকেই কেন্দ্রবিন্দুতে রাখতে হবে।”
বক্তব্যে তিনি “আওয়ামী মুক্ত দেশ” গঠনের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, শুধু আওয়ামীমুক্ত নয়, আওয়ামীময় রাজনৈতিক সংস্কৃতি থেকেও দেশকে বেরিয়ে আসতে হবে। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন রাখেন— “সত্যিকার অর্থে কতটা সংস্কার হয়েছে?”
সভায় উপস্থিত বক্তারা রাষ্ট্র সংস্কার, বৈষম্য দূরীকরণ, জনগণের অংশগ্রহণমূলক শাসনব্যবস্থা এবং গণতান্ত্রিক বৈধতার প্রশ্নে বিস্তৃত আলোচনা করেন।





























