• ৩০শে নভেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ রবিবার রাত ৯:২৬
S M Tajul Islam নভেম্বর ৩০, ২০২৫

সমুদ্রে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করে দক্ষতা দেখাল নৌবাহিনী

ডেস্ক : বঙ্গোপসাগরে সফল ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর বাৎসরিক সমুদ্র মহড়া সমাপ্ত হয়েছে।

রোববার (৩০ নভেম্বর) সমাপনী দিনে নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসানের আমন্ত্রণে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, আইন–বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও উচ্চপদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা সমাপনী মহড়া প্রত্যক্ষ করেন।

পাঁচ দিনব্যাপী আয়োজিত এ মহড়ায় নৌবাহিনীর ফ্রিগেট, করভেট, ওপিভি, মাইন সুইপার, পেট্রোলক্রাফট, মিসাইল বোটসহ বিভিন্ন জাহাজ এবং মেরিটাইম পেট্রোল এয়ারক্রাফট, হেলিকপ্টার ও বিশেষায়িত ফোর্স সোয়াড অংশ নিয়েছে। বাংলাদেশ বিমানবাহিনী, কোস্টগার্ডসহ সংশ্লিষ্ট মেরিটাইম সংস্থাগুলোও প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে মহড়ায় অংশগ্রহণ করে।

মহড়ার বিভিন্ন ধাপে নৌবহরের রণকৌশল অনুশীলন, সমুদ্র এলাকায় পর্যবেক্ষণ, লজিস্টিক অপারেশন এবং উপকূলীয় নৌ স্থাপনাগুলোর প্রতিরক্ষা মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। চূড়ান্ত দিনে বিশেষ আকর্ষণ ছিল নৌবাহিনীর জাহাজ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ, শোল্ডার লঞ্চড সারফেস টু এয়ার মিসাইল ফায়ারিং, অ্যান্টি-এয়ার র‍্যাপিড ওপেন ফায়ারিং, রকেট ডেপথ চার্জ ফায়ারিং, অপারেশন এবং নৌ-কমান্ডোদের হেলিকপ্টার ভিত্তিক ভিজিট বোর্ড সার্চ অ্যান্ড সিজার মহড়া।

নৌবাহিনীর এই মহড়ার মূল লক্ষ্য ছিল সমুদ্র এলাকায় দেশের সার্বভৌমত্ব সংরক্ষণ, সমুদ্র সম্পদ রক্ষা, সমুদ্রপথের নিরাপত্তা, চোরাচালান রোধ, জলদস্যুতা দমন, উপকূলীয় জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং সমুদ্র এলাকায় টহল জোরদার করা। সমাপনী দিনে উপস্থিত অতিথিরা নাবিক ও কর্মকর্তাদের প্রশংসা করেন এবং দেশের সমুদ্রসীমা রক্ষার পাশাপাশি জাতীয় অর্থনীতিতে নৌবাহিনীর অবদানকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *