Breaking News
* জাপানের ওপর দিয়ে মিসাইল ছুড়ল উ. কোরিয়া * গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে করোনায় মৃত্যু ৬১৯, শনাক্ত পৌনে ২ লাখ * আবাসন খাতের উন্নয়নে প্রয়োজন আন্তর্জাতিক সহযোগিতা: গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী * ‘জঙ্গিরা যতই স্মার্ট হোক র‌্যাব তার চেয়েও বেশি স্মার্ট’: র‌্যাবের মহাপরিচালক * বিদেশে অপহরণ-মুদ্রা পাচার চক্রের মূলহোতা গ্রেপ্তার * খালেদা জিয়ার নেতৃত্বেই যুগপৎ আন্দোলন: মির্জা ফখরুল * ২০২২ সালে চিকিৎসাশাস্ত্রে নোবেল পেলেন সুভান্তে প্যাবো * মাথার দাম ৩০ লাখ ডলার, সোমালিয়ায় নিহত আল-শাবাব নেতা * দুই ফিলিস্তিনিকে গুলি করে মারলো ইসরায়েল * ব্রাজিলে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন গড়িয়েছে দ্বিতীয় পর্বে: লড়বেন লুলা-বলসোনারো
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বাধিক আলোচিত

POOL

বিশ্বের অন্য দেশের তুলনায় আমরা সুখে আছি, বেহেশতে আছি— পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এমন উক্তি ‘জনগণের সঙ্গে তামাশা’ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।আপনি কি তাঁর সাথে একমত?

Note : জরিপের ফলাফল দেখতে ভোট দিন

উচ্ছেদের মাস না পেরোতেই আবারও দখল করে নতুন দোকান

30-07-2022 | 04:18 pm
বিশেষ প্রতিবেদন

নীলক্ষেতে অবৈধ দোকান উচ্ছেদের মাস না পেরোতেই আবারও দখল করে নতুন দোকান নির্মাণ করা হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদন: নীলক্ষেতে অবৈধ দোকান উচ্ছেদের মাস না পেরোতেই আবারও দখল করে নতুন দোকান নির্মাণ করা হয়েছে। সেসব দোকানে ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে বেচাকেনা। নকশা বহির্ভূতভাবে ও সিটি কর্পোরেশনের অনুমতি না থাকায় গত ১৬ জুন (বৃহস্পতিবার) এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)।

উচ্ছেদ অভিযানে নেতৃত্ব দেন ডিএসসিসির আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা উপ-সচিব মেরীনা নাজনীন ও সম্পত্তি কর্মকর্তা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সিনিয়র সহকারী সচিব মো. মুনিরুজ্জামান।

অভিযানের সময় সিটি কর্পোরেশন রোড সাইট মার্কেটের নকশা-বহির্ভূত অনুমোদনহীন দোকান ও ভেতরের বাকুশাহ মার্কেটের প্রবেশ পথের সামনের দোকান ভেঙে দেওয়া হয়। এর মধ্যে ১০ নম্বর বইয়ের দোকানের পরে মানুষের চলাচলের রাস্তার দুই পাশে নির্মিত দোকান এবং ২৫ নম্বর দোকানের পরের মোবারক বিরানি হাউস ও নীলক্ষেত রয়েল তেহারি হাউস সম্পূর্ণ ভেঙে দেওয়া হয়। এছাড়াও ৩৭ নম্বর দোকানের পরের প্রবেশপথের অস্থায়ী দোকানগুলোও উচ্ছেদ করা হয়।

তবে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হলেও দখল ছাড়েননি কেউ। অভিযানের কয়েকদিন পরই নতুন করে অবকাঠামো নির্মাণের তোড়জোড় শুরু হয়। সম্প্রতি নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার পর রঙ করে আবারও পুরোদমে শুরু হয়েছে দোকানের কার্যক্রম।

বুধবার (২৭ জুলাই) দুপুরে সরেজমিনে নীলক্ষেত ঘুরে দেখা যায়, উচ্ছেদ অভিযানে ভেঙে দেওয়া দুটি বইয়ের দোকানের জায়গায় ছোট পাঁচটি বইয়ের দোকান এবং একটি বড় দোকান করা হয়েছে। বিরিয়ানির দোকান দুটিও করা হয়েছে আগের মতই। এবং মার্কেটের শেষেরদিকে যে স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছিল সেটিও পুনরায় সংস্কার করা হয়েছে।

সিটি কর্পোরেশনের উচ্ছেদের পরও কীভাবে পুনরায় দোকান বসানো হয়েছে, এ বিষয়ে কথা বলতে চাইলে রাজি হননি কোনো দোকানদার। নিজেদের কর্মচারী দাবি করে দোকান মালিকদের সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন তারা।

তবে সিটি কর্পোরেশন হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছেন বলে দাবি করেন রয়েল তেহারি হাউজের মালিক মহর আলী। তিনি বলেন, এটা সরকারি মার্কেট। হাইকোর্টের নিষেধ আছে। তারপরও তারা এটি ভেঙেছে। এখানে বহুতল ভবন নির্মাণের কথা রয়েছে। এই জায়গা যদি মার্কেটের কোনো উন্নয়নের কাজে লাগে তবে আমি সেটি ছেড়ে দেব। এখন তো মার্কেটের কোনো কাজে লাগছে না। তাই দোকান করেছি।

তবে সরকারিভাবে এসব জায়গার রাজস্ব আদায় করা হলে তা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত বলে জানান আরেক দোকান মালিক শওকত হোসেন নান্নু। তিনি বলেন, জায়গার ওপর ভিত্তি করে সরকার যদি সিটি কর্পোরেশনের মাধ্যমে রাজস্ব নেয় তাহলে আমারা দিতে প্রস্তুত আছি। আমরা ইতোমধ্যেই সিটি কর্পোরেশনের সঙ্গে এ ধরনের একটি আলোচনাও করেছি।

উচ্ছেদ হওয়ার পর ফের দোকান বসানোর সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের সম্পত্তি কর্মকর্তা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সিনিয়র সহকারী সচিব মো. মুনিরুজ্জামান। তিনি বলেন, আমি নিজেও সরেজমিনের পরিদর্শন করে দেখেছি সেখানে পুনরায় দোকান নির্মাণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে আমরা মেয়রের কাছে আবারও নোট পাঠাব।

নীলক্ষেতে সড়কের উভয় পাশে ৮৪টি বৈধ দোকান রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, সিটি কর্পোরেশনের অনুমতি ছাড়া দোকান বসানোর সুযোগ নেই। যেসব দোকান উচ্ছেদ করা হয়েছে পুনরায় সেগুলোও আবার স্থাপন করার সুযোগ নেই।

সরকারকে রাজস্ব দেওয়া ছাড়া ও সিটি কর্পোরেশনের বরাদ্দ ছাড়া দোকানের বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বৈধতার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা উপ-সচিব মো. আরিফুল হক।

তিনি বলেন, সিটি কর্পোরেশনের রাজস্ব বিভাগ থেকে যেসব দোকান বরাদ্দ দেওয়া হয় তারাই কেবল বৈধ দোকানি হিসেবে গণ্য হন। তাই দোকান বরাদ্দ নেওয়ার আগে অবশ্যই সিটি কর্পোরেশনের রাজস্ব বিভাগের অনুমোদন নিতে হবে এবং নিয়মিত রেভিনিউ পরিশোধ করতে হবে। এর বাইরে বৈধতার সুযোগ নেই।

কমেন্ট

<<1>>

নাম *

কমেন্ট *

সম্পর্কিত সংবাদ

© ২০১৬ | এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি | dainikprithibi.com
ডিজাইন এবং ডেভেলপমেন্ট - মোঃ রেজাউল ইসলাম রিমন