Breaking News
* জাপানের ওপর দিয়ে মিসাইল ছুড়ল উ. কোরিয়া * গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে করোনায় মৃত্যু ৬১৯, শনাক্ত পৌনে ২ লাখ * আবাসন খাতের উন্নয়নে প্রয়োজন আন্তর্জাতিক সহযোগিতা: গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী * ‘জঙ্গিরা যতই স্মার্ট হোক র‌্যাব তার চেয়েও বেশি স্মার্ট’: র‌্যাবের মহাপরিচালক * বিদেশে অপহরণ-মুদ্রা পাচার চক্রের মূলহোতা গ্রেপ্তার * খালেদা জিয়ার নেতৃত্বেই যুগপৎ আন্দোলন: মির্জা ফখরুল * ২০২২ সালে চিকিৎসাশাস্ত্রে নোবেল পেলেন সুভান্তে প্যাবো * মাথার দাম ৩০ লাখ ডলার, সোমালিয়ায় নিহত আল-শাবাব নেতা * দুই ফিলিস্তিনিকে গুলি করে মারলো ইসরায়েল * ব্রাজিলে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন গড়িয়েছে দ্বিতীয় পর্বে: লড়বেন লুলা-বলসোনারো
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বাধিক আলোচিত

POOL

বিশ্বের অন্য দেশের তুলনায় আমরা সুখে আছি, বেহেশতে আছি— পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এমন উক্তি ‘জনগণের সঙ্গে তামাশা’ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।আপনি কি তাঁর সাথে একমত?

Note : জরিপের ফলাফল দেখতে ভোট দিন

জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত ৩৬৪ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে

09-09-2022 | 03:37 pm
বিশেষ প্রতিবেদন

দেশের স্কুল থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ২০২২ সালের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত ৩৬৪ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন।

ঢাকা : দেশের স্কুল থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ২০২২ সালের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত ৩৬৪ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন, যাদের মধ্যে ১৯৪ জনই ছিল স্কুলপড়ুয়া শিক্ষার্থী। আর কলেজপড়ুয়া ৭৬ জন এবং ৫০ জন ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। ৪৪ জন মাদ্রাসায় পড়ুয়া শিক্ষার্থীও আত্মহত্যার মাধ্যমে জীবনাবসানের পথ বেছে নিয়েছে।

সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বাংলাদেশ সিভিল রাইটস সোসাইটির জরিপে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

১৫০টি জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকার তথ্য থেকে জরিপ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে তারা। এর আগে ২০২১ সালে সারা দেশে মোট ১০১ শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছিল বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।

জরিপে দেখা গেছে, গত আট মাসে মোট আত্মহননকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৫০ জন ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী, যাদের মধ্যে ছেলে শিক্ষার্থী ৬০ শতাংশ এবং মেয়ে শিক্ষার্থী ৪০ শতাংশ। কলেজপড়ুয়াদের মধ্যে ৭৬ জন এই পথ বেছে নেয়, যাদের মধ্যে ৪৬.০৫ শতাংশ ছেলে এবং ৫৩.৯৫ শতাংশ মেয়ে। সবচেয়ে বেশি অর্থাৎ ১৯৪ জন স্কুলগামী শিক্ষার্থী গত আট মাসে আত্মহত্যার দিকে ধাবিত হয়েছে। তাদের মধ্যে ৩২.৯৯ শতাংশ ছেলে এবং ৬৭.০১ শতাংশ মেয়ে শিক্ষার্থী। মাদ্রাসাপড়ুয়া ৪৪ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যার মাধ্যমে জীবনাবসানের পথ বেছে নিয়েছে। তাদের মধ্যে ৩৯.২৯ শতাংশ ছেলে এবং ৬০.৭১ শতাংশ মেয়ে শিক্ষার্থী।

সিনিয়র সাংবাদিক জামাল হোসেনের প্রতিবেদনে বলা হয়, তরুণ প্রজন্মকে যেকোনো প্রতিকূল পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার জন্যে মানসিকভাবে তৈরি করা এবং তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি যত্নশীল করে তোলার পাশাপাশি বাংলাদেশ সিভিল রাইটস সোসাইটি একটি অন্যতম লক্ষ্য দেশে শিক্ষার্থীদের আত্মহত্যার হার শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনা। তারই ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি এটি তরুণ প্রজন্মের ওপর জরিপ পরিচালনা ও আত্মহত্যার তথ্যও সংগ্রহ করে যেন তরুণদের মানসিক স্বাস্থ্যের সার্বিক অবস্থা নিরূপণ করা যায়। সেই সূত্র ধরে দেশের দেড়শ জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকা এবং অনলাইন পোর্টাল থেকে এবারের সকল প্রকার আত্মহত্যার তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।

পত্রিকা থেকে সংগৃহীত আত্মহত্যার ঘটনার সংখ্যা অনুযায়ী, ২০২২ সালের জানুয়ারি থেকে আগস্ট মাসের মধ্যে ৩৬৪ জন আত্মহননের পথ বেছে নেয়, যারা তাদের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত ছিলেন। এদের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ, স্কুল, মাদ্রাসা, নার্সিং প্রভৃতি বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থী রয়েছেন। লক্ষণীয় যে, ৩৬৪ জন আত্মহত্যাকারীর মধ্যে ১৯৪ জনই ছিলেন স্কুলগামী শিক্ষার্থী। দ্বিতীয় অবস্থানে ছিলেন কলেজ শিক্ষার্থীরা, যার সংখ্যা ৭৬ জন। অপরদিকে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের মধ্যে আত্মহননকারীর সংখ্যা ৫০ জন। তবে মোট আত্মহননকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে মাদ্রাসায় অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীও ছিলেন ৪৪ জন।

বিভাগ অনুযায়ী আত্মহত্যা:
জরিপে উঠে এসেছে, আত্মহত্যাকারীদের অবস্থান বিবেচনায় সবার শীর্ষে রয়েছে রাজধানী ঢাকা। আত্মহননকারীদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ২৫.২৭ শতাংশ, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৬.৪৮ শতাংশ, খুলনা বিভাগে ১৪.০১ শতাংশ, রংপুর বিভাগে ৮.৭৮ শতাংশ শিক্ষার্থী রয়েছেন।

এছাড়া আত্মহননকারীদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে ৯.৬২ শতাংশ, ময়মনসিংহ বিভাগে ৭.৪২ শতাংশ এবং রাজশাহী বিভাগে ১৪.০১ শতাংশ শিক্ষার্থী রয়েছেন। অপরদিকে সিলেট বিভাগে তুলনামূলক কম সংখ্যক শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেন, যা ৪ শতাংশ।

প্রতিবেদনের তথ্যে আত্মহত্যায় স্কুলগামীরা এগিয়ে:
শিক্ষা স্তর বিবেচনায় আত্মহননকারীদের মধ্যে বিদ্যালয়গামী অর্থাৎ প্রাইমারি থেকে মাধ্যমিকের ছাত্রছাত্রী রয়েছেন ৫৩.৩০ শতাংশ। আত্মহত্যার দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে কলেজ পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা, যা ২০.৮৮ শতাংশ। বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া আত্মহত্যাকারী শিক্ষার্থী রয়েছে ১৩.৭৪ শতাংশ। আত্মহননকারীদের মধ্যে মাদ্রাসার শিক্ষার্থী রয়েছেন শতকরা ১২.০৯ শতাংশ।

আত্মহননে এগিয়ে মেয়েরা:
আত্মহত্যায় এবারও এগিয়ে আছে মেয়ে শিক্ষার্থীরা, যা মোট আত্মহননকারীদের ৬০.৭১ শতাংশ বা ২২১ জন। অন্যদিকে ছেলে শিক্ষার্থী রয়েছেন ৩৯.২৯ শতাংশ বা ১৪৩ জন।

বয়সভিত্তিক আত্মহত্যার হার:
বিসিআরএস এর জরিপের ফল থেকে জানা যায়, ১৩ থেকে ২০ বছর বয়সীদের মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা সর্বাধিক লক্ষণীয়, যা ৭৮.৬ শতাংশ। বয়সের সীমারেখায় যারা ২১ থেকে ২৬ বছর বয়সী, তাদের মধ্যে ১৩.৪৬ শতাংশ শিক্ষার্থী আত্মহননের পথ বেছে নেন। জরিপ থেকে আরও জানা যায়, ১৩ বছরের নিচে যাদের বয়স, তারাও এই পথ থেকে পিছপা হয়নি। ৬ থেকে ১২ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৭.৯৭ শতাংশ অর্থাৎ ২৯ জন আত্মহত্যা করেন। তবে সবচেয়ে বেশি আত্মহত্যা করেন ১৪-১৬ বছর বয়সীরা, যার সংখ্যা ১৬০ জন। এছাড়াও সর্বনিম্ন সাত বছরের একটি শিশুও আত্মহত্যা করেন জরিপে উঠে এসেছে।

আত্মহত্যার ঘটনা অনুসন্ধানে বাংলাদেশ সিভিল রাইটস সোসাইটির গবেষকরা আত্মহননের পেছনের বিভিন্ন কারণ সম্পর্কে জানতে পারেন। এরমধ্যে যে কারণগুলো সবচেয়ে বেশি দেখা যায় সেগুলো হলো— অভিমান, প্রেমঘটিত কারণ, সেশনজট, পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়া, পড়াশোনার চাপ, পরিবার থেকে কিছু চেয়ে না পাওয়া, পারিবারিক কলহ, ধর্ষণ ও যৌন হয়রানি, চুরি বা মিথ্যা অপবাদ, মানসিক সমস্যা, বিয়েতে প্রত্যাখ্যাত, স্বামী পছন্দ না হওয়া, বাসা থেকে মোটরসাইকেল কিনে না দেওয়া ইত্যাদি। আরও রয়েছে মানসিক ভারসাম্যহীনতা, বিষণ্নতা, বন্ধুর মৃত্যু, আর্থিক সমস্যার মতো বিষয়ও।

প্রাপ্ত উপাত্ত অনুসারে, সবচেয়ে বেশি অর্থাৎ ২৫.২৭ শতাংশ শিক্ষার্থী প্রেমঘটিত কারণে আত্মহত্যা করেন। অভিমান করে আত্মহত্যার পথ বেছে নেন ২৪.৭৩ শতাংশ শিক্ষার্থী। পরিবারের সঙ্গে চাওয়া পাওয়ার অমিল হওয়ায় ৭.৪২ শতাংশ এবং পারিবারিক কলহের কারণে ৬.৫৯ শতাংশ আত্মহত্যা করেছেন। অন্যদিকে ধর্ষণ বা যৌন হয়রানির কারণে আত্মহত্যার পথ বেছে নেন ৪.৬৭ শতাংশ। মানসিক সমস্যার কারণে এই পথে ধাবিত হন ৬.৫৯ শতাংশ। তাছাড়া পড়াশোনার চাপে ০.৮২ শতাংশ, সেশনজটের কারণে হতাশায় নিমজ্জিত হয়ে ০.৮২ শতাংশ এবং পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ায় ১.৯২ শতাংশ আত্মহননের দিকে যান। ১.৬৫ শতাংশ চুরির মিথ্যা অপবাদে, ১.৯২ শতাংশ আর্থিক সমস্যায়, ০.৫৫ শতাংশ বন্ধুর মৃত্যুতে বিষাদগ্রস্ত হয়ে আত্মহত্যা করেছেন। এছাড়াও বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় এবং স্বামী পছন্দ না হওয়ায় ১.১০ শতাংশ। তবে ১৫.৯৩ শতাংশের আত্মহননের কারণ জানা যায়নি।

আত্মহত্যার ভিন্ন কিছু দিক:
আত্মহননকারী কিছু শিক্ষার্থীর মধ্যে আত্মহত্যার পূর্বে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাদের মানসিক অবসাদ কিংবা বিদায় নেওয়ার কথা জানান দেওয়ার প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। তাদের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে আত্মহত্যা করেন আট জন এবং ভিডিও কলে এসে আত্মহত্যা করেন দুই জন। আর সেলফি ক্যামেরা নিজের দিকে তাক করে আত্মহত্যা করেন ০.২৭ শতাংশ প্রেমিক যুগল। এছাড়া মৃত্যুর আগে চিরকুট বা সুইসাইড নোট লিখে আট জন আত্মহত্যা করেছেন।

বাংলাদেশ সিভিল রাইটস সোসাইটির সভাপতি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পারাকে আত্মহত্যার অন্যতম বড় কারণ হিসেবে দায়ী করেছেন। এ সম্পর্কে তিনি বলেন, আমরা দেখেছি শিক্ষার্থীরা পরিবার থেকে কোনো কিছু না পেয়ে অভিমান করেও আত্মহত্যা করেছেন। মোটরসাইকেল, মোবাইল চেয়ে না পাওয়ার কারণে অনেকেই আত্মহননের পথ বেছে নিয়েছেন। প্রত্যাশা পূরণ না হলে কীভাবে আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে হয়, সে বিষয়ে আমাদের শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনেক বড় ধরনের অভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে।

তিনি বলেন, আমাদের অনেক বড় ধরনের প্রকল্প হাতে নিতে হবে। সাত বছরের একজন যার আত্মহত্যা বোঝার মতো বয়সও হয়নি, তার আত্মহত্যার পেছনের কারণগুলোও বিশ্লেষণ করে শিশু অবস্থা থেকেই শিক্ষার্থীদের মনোবল শক্ত করতে ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন।

জাকির হোসেন আরও বলেন, করোনার সময়ে দীর্ঘদিন ঘরে বসে থাকার ফলে অনেকের মনস্তাত্ত্বিক পরিবর্তন এসেছে। রাগ বেড়েছে, মানসিকভাবে সহজেই ভেঙে পড়ার হারও বেড়েছে, সেই সঙ্গে বেড়েছে পড়াশুনার চাপও। এছাড়াও পারিবারিক বিভিন্ন সমস্যাও বেড়েছে আগের চেয়ে। আমাদের শিক্ষার্থীরা সবকিছু একসঙ্গে সামাল দিতে পারছে না বলেই তুলনামূলক আত্মহত্যার হার বেড়েছে, যেখানে আমরা আশা করেছিলাম করোনার পর আত্মহত্যা প্রবণতা কমে যাবে।

শিক্ষার্থীদের আত্মহত্যা প্রতিরোধ ও মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বাংলাদেশ সিভিল রাইটস্ সোসাইটির প্রস্তাবনা:
১. আত্মহত্যা মোকাবিলায় বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি টাস্কফোর্স গঠন।

২. পাঠ্যপুস্তকে মানসিক শিক্ষাকে এবং মনের যত্নের কৌশলগুলোকে শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা।

৩. স্কুল-কলেজে অভিভাবক সমাবেশের আলোচিত সূচিতে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য ও আত্মহত্যা সম্পর্কিত এজেন্ডা রাখতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা প্রদান।

৪. মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও আত্মহত্যা প্রতিরোধে সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মনোরোগ বিশেষজ্ঞ নিয়োগ করা।

৫. প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক মানসিক স্বাস্থ্য প্রশিক্ষণ প্রদান।

৬. সহশিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ বৃদ্ধি ও বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা।

৭. মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠানগুলো দ্বারা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভ্রাম্যমাণ ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা।

৮. হতাশা, আপত্তিকর ছবি, আত্মহত্যার লাইভ স্ট্রিমিং, জীবননাশের পোস্ট ইত্যাদি চিহ্নিত করতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিশেষ টুলস ব্যবহার করা।

৯. আত্মহত্যার ঘটনায় পরিবার ও পরিচিতদের দায় অনুসন্ধানে আইনি বাধ্যবাধকতা থাকা।

১০. মানসিক স্বাস্থ্যসেবা দ্রুত ও সহজলভ্য করতে একটি টোল ফ্রি জাতীয় হট লাইন নম্বর চালু করা।

কমেন্ট

<<1>>

নাম *

কমেন্ট *

সম্পর্কিত সংবাদ

© ২০১৬ | এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি | dainikprithibi.com
ডিজাইন এবং ডেভেলপমেন্ট - মোঃ রেজাউল ইসলাম রিমন