Breaking News
* কেনিয়ার নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন উইলিয়াম রুতো * গার্ডার চাপায় প্রাইভেটকারে থাকা শিশুসহ নিহত পাঁচ, বেঁচে রইলেন নবদম্পতি * আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের ব্যাপক দরপতন * খালেদা জিয়া ১৫ তারিখের পরিবর্তে ১৬ আগস্ট জন্মদিন পালন হাস্যকর * গার্ডার চাপায় হতাহতের ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী * গার্ডার ক্রেন থেকে ছিটকে পড়ে প্রাইভেটকারের চার যাত্রী নিহত * আফগানিস্তানে প্রবল বর্ষণ-বন্যায় নিহত ৩১, নিখোঁজ ১০০ * ইউরোপের সবচেয়ে বড় পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রে বিপর্যয়ের আশঙ্কা * জম্মু ও কাশ্মীরের পাহাড়ে দুনিয়ার সর্বোচ্চ রেল সেতু * ইসরাইলের বিমান হামলায় সিরিয়ার তিন সেনা নিহত ও আহত তিন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বাধিক আলোচিত

POOL

বিশ্বের অন্য দেশের তুলনায় আমরা সুখে আছি, বেহেশতে আছি— পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এমন উক্তি ‘জনগণের সঙ্গে তামাশা’ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।আপনি কি তাঁর সাথে একমত?

Note : জরিপের ফলাফল দেখতে ভোট দিন

ভাসানীর দেখানো পথ অনুসরণ ছাড়া মুক্তি সম্ভব কি?

12-07-2022 | 01:42 pm
মুক্তচিন্তা

মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী।

ঢাকা: মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর দেখানো পথ অনুসরণ ছাড়া মুক্তি সম্ভব কি? মোহাম্মদসাখাওয়াৎ হোসেন ইবনে মঈন চৌধুরীঃ
১৭৫৭ সালে পলাশীর প্রান্তে জগৎ শেঠদের চক্রান্তে আর মিরজাফরের ক্ষমতার লোভে বাংলার স্বাধীনতা সার্বভৌম জিঞ্জির পরেছে আজও কি জিঞ্জির মুক্ত হতে পেরেছে!নাকি কৌশল পরিবর্তন করে পরাধীনতার জিঞ্জির আজও পরে আছি আমরা।সাম্প্রদায়িক অপশক্তি, জঙ্গি, সন্ত্রাসীদের নিরাপদ রাখার হাতিয়ার হিসাবে এখনো মুসলমানরাই ব্যবহিত হচ্ছে! পলাশীর প্রান্তে নবাব সিরাজ উদ দৌলার বিরুদ্ধে অভিযান ছিলো নাকি দেশপ্রেমিক মানব প্রেমিক মুসলমানদের নিয়ন্ত্রণ, শান্তি বিঘ্নে এই চক্রান্ত তা আজ অনুধাবন করার সময় এখনই? আর মীর্জা জাফর এর উত্তরসুরী এখনো ঐক্য ধ্বংস করতে নানা চক্রান্তে লিপ্ত। এই উপলব্ধি থেকেই টাঙ্গাইলের সন্তোষে ঘুমিয়ে থাকা মজলুম জনগনের নেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী উপনিবেশিক, সাম্রাজ্যেবাদ,সম্প্রসারণবাদ ও আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে লড়াই শুরু করেন।স্বাধীনতা ৭১'এর পরবর্তীতে আটস্যাট বেঁধে এই অপশক্তি রক্ত দিয়ে কেনা স্বাধীনতাকে আবার গোলামীর জিঞ্জির পরাতে মেতে ওঠে!ক্ষমতার লোভ,দাম্ভিকতা, অহংকার আর প্রতিহিংসাকে ব্যবহার করে জাতির মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়ার চক্রান্ত শুরু হয়। মজলুম জননেতার সাপ্তাহিক" হককথা" এর শিরোনাম হয় দিল্লি ঘুরে আসলো স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান! এখন সেই সংবিধান জনগনের কতটুকু কল্যানে আসবে মজলুম জননেতা সেদিন প্রশ্ন করে ছিলেন! জাতির আজকের অবস্থা সম্পর্কে হুজুরের যে সন্দেহ ছিলো তা যেন খুব, সুক্ষ্ম ভাবে বাস্তবায়ন হচ্ছে। হঠাৎ করে রাষ্ট্রের সব কিছুই থমকে দাঁড়ায়। তখন ১৯৬৫ সালে পাকিস্তানের সীমান্ত রক্ষায় দেশপ্রেমের পরিক্ষায় উত্তির্ন হওয়া,আবার পাকিস্তানের সংবিধানের অধিনে নির্বাচনে অংশ গ্রহণ! জাতির কাছে সত্য ধামাচাপা দেওয়ার ভয়ংকর পরিনতি মোকাবেলায়, যিনি ঘোষনা করলেন আমি"মেজর জিয়া রিভল্ট করলাম অস্হায়ী রাষ্ট্রপতি হিসাবে স্বাধীনতা ঘোষণা করলাম "!তারপর থেকে ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত জাতি আর পিছন ফিরে তাকায় নাই! বিজয় যখন দ্বারপ্রান্তে তখনই দিল্লি স্বীকৃতির নামে নতুন চক্রান্ত শুরু করলো?আর তখন স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্ট্রা,রুপকার, স্হপতি, প্রবাসী সরকারের উপদেষ্টা মন্ডলীর সভাপতি আধিপত্যবাদের চক্রান্ত প্রতিহতকারী মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী তখনও গৃহবন্দী। ১৬ ডিসেম্বর আরেকটি সুকৌশলে নীল নক্সা বাস্তবায়ন হলো!আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে দিলো না মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল এম,এ,জি ওসমানীকে,মুক্তি যুদ্ধের উপপ্রধান এ,কে খন্দকার তাল গাছের মত দাঁড়িয়ে থাকা ছাড়া আর কিছুই করার ছিলো না?১৯৪৭ সালে পতাকা আর মানচিত্র ছাড়া সাম্প্রদায়িক অপশক্তি, সম্প্রসারণবাদ,আধিপত্যবাদ ও সাম্রাজ্যেবাদের আগ্রাসনের কবল থেকে মুক্তি আসে নাই এটা উপলব্ধি হতে থাকে দেশপ্রেমিকদের মধ্যে! ১৯৫০ সালে মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী স্বাধীনতার প্রস্তুতি শুরু করেন।১৯৫৪ কাগমারী সম্মেলনে মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী পাক শাসকদের আচরণ গত পরিবর্তন না আসলে ওয়া আলাইকুম আসসালাম জানিয়ে দিলে!তখনই তারা মজলুম জননেতাকে ইন্ডিয়ার দালাল হিসাবে আখ্যায়িত করে।কিন্তু মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী তার দূরদৃষ্টি সিদ্ধান্তের উপর অটল থাকেন।১৯৬৯ সালে আইয়ুব বিরোধী বিক্ষোভ মিছিল যখন জামাতে ইসলামি অংশ গ্রহণ করে তখন রুশ-ইন্ডিয়ার তাবেদারী মেরুদণ্ডহীন দল গুলো ক্ষুব্ধ হয়! ঐতিহাসিক দৈনিক বাংলার মোড়ের কাছাকাছি যখন বিক্ষোভ মিছিল তখন হুজুরকে অধ্যাপক মোজ্জাফর সাহেব বললেন হুজুর মিছিলে জামাত যোগ দিয়েছে! স্বাধীনতার রুপকার বলেন আজকের মিছিলে যারা যোগ দেবে তারাই কেবল মানুষের অধিকার রক্ষার পক্ষের শক্তি! এই কথা শুনে অধ্যাপক মোজ্জাফর সাহেব তার ৪/৫ লোক ছিলো তাদের নিয়ে বেড় হয়ে চলে গেলো! হুজুর সেদিন বলেছেন রুশ-ইন্ডিয়ার দালালরা পরাধীন ও আইনের অপপ্রয়োগ এর মত স্বাধীনতা চায়? তারপর ১৯৭০ এর দক্ষিণ অঞ্চলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি দেখতে চান ১০৪ ডিগ্রি গায়ে জ্বর নিয়ে হুজুর!ওখান থেকে ১ সপ্তাহ পর ঢাকায় ফিরে মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী ঘোষণা দিলেন,ভোটের বাক্সে লাথি মারো বাংলা স্বাধীন করো!বাংলাদেশের বর্তমান সিলেট সুনামগঞ্জ সহ উত্তর অঞ্চলের জনগনের দূর্ভোগ ও অসহায়ত্ব দেখে ১৯৭০ এর শাসকের বৈষম্য মুলুক আচরণ দৃষ্টিতে ভাসে?দাদাদের পানি জুলুমে ক্ষতিগ্রস্হদের পাশে দাঁড়াতে মসজিদে মসজিদে জনগন উদ্ধুদ্ধ করণ সাহায্য সংগ্রহ ও পৌঁছানোর ব্যবস্হা করছে।এর বিএনপি একদম মাঠপর্যায় থেকে জাতীয় পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ বন্যাত্বদের পাশেই আছে! আরেকটি দল বাংলাদেশ জামাতে ইসলামী দূর্গত মানুষের পাশে সার্বক্ষনিক রয়েছে।আজকের এমন অবস্থা দেখে হুজুরের"সেই বিক্ষাত বানী স্মরণ হতে থাকে! যারা সাম্প্রদায়িক অপশক্তিদারা পরিচালিত, সম্প্রসারণবাদ,আধিপত্যবাদ,আর সাম্রাজ্যেরবাদের গোলাম তারা তাদের প্রভুদের সন্তুষ্টি ছাড়া আর সবই ব্যবসায়ীক দৃষ্টিতে দেখে,আর একারণেই মানুষ দূর্ভোগের স্বীকার হয় হবে?মজলুম জননেতা যখন টাঙ্গাইলের সন্তোষে গৃহবন্দী তখন হুজুরের সাথে দেখা করতে গেলে এক সময় নসিহত করতে বললেন! রক্ত দিয়ে কিনে স্বাধীনতা রক্ষা করতে হলে এখনই এমন রাষ্ট্র পরিচালক প্রয়োজন, যিনি মনে প্রানে আল্লাহ তালার সন্তুষ্টিতে বিশ্বাস করে,সাম্রাজ্যেবাদ,আধিপত্যবাদ,সম্প্রসারণবাদ,সাম্প্রদায়িক অপশক্তির কবল থেকে নিজেকে এবং রাষ্ট্রকে নিরাপদ রাখবেন। আর আল্লাহ তালার উপর আস্হা যার মধ্যে থাকবে এ গুলো তাকে হজম করতে পারবে না! আর তিনিই রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ আর গণমাধ্যমকো দমন পিড়িন চালাতে পারে না! জেনারেল জিয়া উর রহমান যখন সেনাবাহিনীর উপপ্রধান তখন তিনি একদিন শাহাজাহানপুর তার বড় ছেলে মরহুম আবু নাসের খান ভাসানীর বাসায় বলেছিলেন!আল্লাহ পাক হয়তো তিন দিকে শক্র বেষ্টিত বাংলাদেশকে হেফাজতের মত শিঘ্রই কাউকে পাঠাবেন!!তার কয়েক মাস পর মজলুম জনতার নেতা অসুস্থ হয়ে পিজি হাসপাতালে ভর্তি হলেন।পিজির তখন পরিচালক অধ্যাপক ডাক্তার নুরুল ইসলাম। তিনি একদিন এসে বললেন হুজুর আপনাকে সেনাপ্রধান জিয়া উর রহমান দেখতে আসতে চান? হুজুর বললেন আমার কাছে সবাই আসতে পারে আর জিয়া উর রহমান এর মত আদর্শিক দেশপ্রেমিক আসতে অনুমতি লাগবে কেন?তারপর জিয়া উর রহমান আসলেন মওলানার অনুরোধ রক্ষা করে চলে গেলেন। তারপর পর্যায়ক্রমে মওলানা ভাসানী ন্যাশনাল আওয়ামী পাটি(ন্যাপ ভাসানী) থেকে পদত্যাগ করে মরহুম মশিউর রহমান যাদু মিয়াকে সাময়িক সময়ের জন্যে সভাপতির দায়িত্ব দিলেন।যাদু ভাই ঐ পর্যন্ত ন্যাপের কার্যক্রম ঠিক রাখবেন। যতক্ষণ জিয়া উর রহমান সাহেবের দল গঠন সম্পূর্ণ হবে।এক সময় ন্যাপ বিলুপ্ত হলো মরহুম মশিউর রহমান যাদু মিয়া ও এ্যাড. এ,সে বারী এটি সহ মজলুম নেতার হাতে গড়া নেতাকর্মী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল(বিএনপি)'র পতাকা তলে মিলিত হলেন। দেশের জনগন তাদের রক্ত দিয়ে কিনা আল্লাহ তালার দান স্বাধীন দেশের আর্তমর্যাদা ফেরে আসতে লাগলো।মুসলিম জাতির পিতা হযরত ইব্রাহিম খলিল উল্লাহ'র বংশধর, বিশ্বমানবতার নেতা রহমুতুল্লিল আল আমিন এর উম্মতদের সাম্রাজ্যেবাদ,সম্প্রসারণবাদ,আধিপত্যবাদ,সাম্প্রদায়িক অপশক্তি চক্রান্ত বিরোধী মানবতার ঐক্য গড়ে তুলতে মনোযোগী হলেন? এ অঞ্চলকে দিল্লি আগ্রাসন থেকে রক্ষায় সার্ক গঠন করলেন।যুক্ত ফ্রন্টের নির্বাচনের পর যে নাগরিকদের ভোটের অধিকার হারিয়েছিলো, সেটাও ফিরিয় আনেন? দেশের নাগরিকরা যখন আত্মমর্যাদা ফিরে রাখতে লাগলো,তখন সাম্রাজ্যেবাদ,সম্প্রসারণবাদ,আধিপত্যবাদ চক্র জিয়া উর রহমানকে শাহাদাৎ বা শহীদ করে।কিন্তু মজলুম জনতার নেতার নির্দেশনা অনুযায়ী চলার পথ অনুসরণ করায়!মুসলিম বিশ্ব সহ বাংলাদেশের জনগনের তীব্র নিন্দা আর প্রতিরোধের মুখে চক্রান্তকারী সাময়িক ভাবে আত্মগোপন করে। তারপর রাজনৈতিক অসেচতনার কারে একটু অগ্রসর হওয়ার পর সাম্রাজ্যেবাদ,সম্প্রসারণবাদ ও আধিপত্যবাদের দাসরা গনতন্ত্রকে মাঝ পথে থমকেদেয়। তারপর দেশের মানুষের আকুতিতে গৃহবধূ থেকে রাজপথে সেনাপ্রতি হয়ে,আসেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। রাজপথে দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামের বিনিময়ে আবার গনতন্ত্রের যাত্রা শুরু হয়।তখন জাতীয়তাবাদী ছাত্র দল এর মুল শ্লোগান ছিলো"রুশ-ইন্ডিয়ার দালালেরা হুশিয়ার সাবধান "ভুটাননয়-নেপাল নয় " এ দেশ আমার বাংলাদেশ। নারায়েতকবির আল্লাহুআকবার। এই শ্লোগান আর তখনকার সেনাপ্রধান জেনারেল নুরুলদীন খানের দেশপ্রেম মিলিত হয়ে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন জোটের বিজয় হয়। আর বিএনপির চেয়ারপার্সন ও জোটনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করে সংসদীয় গনতন্ত্র, আইনের শাসন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও বিচার বিভাগকে স্বাধীন ভাবে কাজ করার নিশ্চয়তা প্রদান করেন। তখন আজকের বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে সহ কিছু মন্ত্রীর পরিবারের সদস্য নিয়ে কাল্পনিক সংবাদ প্রকাশ করে। অথচ যাদের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ হয় তারা বলেন জনগন তাদের আদালতে সত্য মিথ্যা যাচাই করবেন। আজ তারাই সত্য লেখার পরিবর্তে চাটুকারিতা ও কাল্পনিক সংবাদ লেখে দেশকে ক্রমেই এক অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিচ্ছে! তারপর দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া জনগনের ভোটের অধিকার নিশ্চিত করতে নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্বাবধায়ক সরকার বিল সংসদে পাশ করানো পর তা সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।আর এটাই সাম্রাজ্যবাদ,সম্প্রসারণবাদ,আধিপত্যবাদ এর চক্রান্ত সফল করতে আদালত ঐ বিধানটি পরিক্ষা মুলক দুইবার বিধান রেখে আইনটি বাতিল করে? অথচ যে আদালত সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক আইন বাতিল করার কথা তা রেখে জনগনের অধিকার থেকে নিশ্চিত হয় সেটাই বাতিল করে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে একটি কাল্পনিক মামলায় সাজা দিয়ে তার মৌলিক অধিকার উন্নতমানের চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত করে রাখে!কিন্তু বিশাল জনসমথিত দলের প্রধান কারাকারে গেলো অদূরদর্শী কিছু নেতার কারণে তিনি আজ মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত। বিএনপির রাজপথের কর্মীরা আক্ষেপ করে বলে দলের শীর্ষ ও মধ্যম পর্যায়ের কিছু নেতাদের আত্মঘাতী কর্মকান্ডের জন্য দেশনেত্রী উন্নত চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত আর দেশব্যাপী শুধু বিএনপির নেতাকর্মীদের নামে প্রায় ৩৪ লক্ষ মামলা! আর বিএনপির বন্ধু দলের নেতাকর্মীদের নামে কত মামলা তার হিসাব তারা জানে না?তবে বিশেষ স্বার্থে বিএনপির অভ্যান্তরে ঘাপটি মেরে থাকা চক্র বিএনপিকে বন্ধুহীন করে চলেছে। এদিকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান যাতে দেশে ফিরে আসতে না পারে, সেই জন্যে এই মহল নানা চক্রান্ত অব্যহত রেখেছে এমন ক্ষোভ শুনা যায়!ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায় শুধু ১৭৫৭ নয় তারও আগ থেকে আধিপত্যবাদ,সাম্রাজ্যবাদ,সম্প্রসারণবাদ,আর তাদের অনুসারীরা তখনই নিজেদের গুটিয়ে নিয়েছে যখন রাজপথে জনগন নেমে এসেছে! আজকে বাংলাদেশের মানচিত্র ও পতাকা সমানুত্তি রাখতে দেশের মালিক জনগন মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর পর শহীদ জিয়ার শাহাদাৎ আর বেগম খালেদা জিয়ার গৃহবন্দী থাকায় চেয়ে প্রবাসী ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এর নির্দেশনার দিকে।তিনি যদি সাম্রাজ্যেবাদ, সম্প্রসারণবাদ আর আধিপত্যবাদের আশ্বাসে কোন স্বপ্ন দেখেন তা অবাস্তব বলেও গুন্জন শুরু হয়েছে। এখনই সময় সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে অক্ষম হলে পতাকা আর মানচিত্র হুমকির মুখে পরবে। আর আর্ন্তজাতিক মানের নির্বাচন হতে হলে আগে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া,তারেক রহমান সহ বিএনপি ও তাদের নেতৃত্বাধীন জোটের সকল মামলা প্রত্যাহার করে মুক্তি। তারপর নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্বাবধায়ক সরকার গঠনের লক্ষে নির্বাচনের তফসিল ঘোষনার কমপক্ষে ৬ মাস আগে পদত্যাগ কিছুটা হলেও আস্হা ফিরবে ভোটারদের মাঝে।

লেখক সিনিয়র সাংবাদিক ও চেয়ারম্যান বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক এ্যাসোসিয়েশন(বিআরজেএ)।

কমেন্ট

<<1>>

নাম *

কমেন্ট *

সম্পর্কিত সংবাদ

© ২০১৬ | এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি | dainikprithibi.com
ডিজাইন এবং ডেভেলপমেন্ট - মোঃ রেজাউল ইসলাম রিমন