Breaking News
* 'বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞায় এবার সব বাণিজ্যিক ব্যাংকের কর্মকর্তারা' * 'অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের জামিনের আবেদন নামঞ্জুর' * '১৫ কিলোমিটার সড়কে হাজার হাজার মানুষের মানববন্ধন' * 'মৎস্য ও খনিজ সম্পদ কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী' * 'ক্ষমতায় গেলে বিএনপি ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টসহ নিবর্তনমূলক আইন বাতিল করবে' * বাইডেনসহ ৯৬৩ মার্কিন নাগরিকের রাশিয়া প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা * 'তেল না পেয়ে পাম্পের মালিকের বাড়িতে আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছে বিক্ষুব্ধ জনতা' * 'জো বাইডেনসহ ৯৬৩ মার্কিন নাগরিকের রাশিয়া প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে মস্কো' * কানাডার অন্টারিও ও কুইবেক প্রদেশে ভয়াবহ ঝড়ের আঘাতে নিহত ৪' * 'গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে করোনায় মৃত্যু আট শতাধিক'
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বাধিক আলোচিত
টিএসসিতে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করেছেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ৫ মিনিটের ঝড়ে প্রিমিয়ার লিগ চ্যাম্পিয়ন ম্যানসিটি 'বিশ্বব্যাপী খাদ্যে প্রচণ্ড ঘাটতি দেখা দিবে, যা বছরের পর বছর স্থায়ী থাকবে' 'বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞায় এবার সব বাণিজ্যিক ব্যাংকের কর্মকর্তারা' 'অবৈধ দখলদারদের কাছ থেকে মিরপুর-১২ নম্বরের পল্লবীর ‘ডি’ ব্লকে অবস্থিত মাঠ উদ্ধারের দাবি' 'অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের জামিনের আবেদন নামঞ্জুর' '১৫ কিলোমিটার সড়কে হাজার হাজার মানুষের মানববন্ধন' "অন্তর্বর্তীকালীন ৫০ শতাংশ মহার্ঘ্য ভাতাসহ ৭ দফা দাবি সরকারি কর্মচারী ঐক্য ফোরামের" 'মৎস্য ও খনিজ সম্পদ কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী' 'ক্ষমতায় গেলে বিএনপি ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টসহ নিবর্তনমূলক আইন বাতিল করবে'

POOL

দেশের অভ্যন্তরে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশবিরোধী ও জনগণের স্বার্থ পরিপন্থী নানামুখী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত বিএনপি বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। আপনি কি তাঁর সাথে একমত?

Note : জরিপের ফলাফল দেখতে ভোট দিন

'অফিস সহকারী ঘুস, দুর্নীতি করে কোটি টাকার মালিক'

08-04-2022 | 03:35 pm
বিশেষ প্রতিবেদন

শরীয়তপুরের জাজিরা সাবরেজিস্ট্রার অফিসের অফিস সহকারী আনোয়ার হোসেন মিল্টনের বিরুদ্ধে ঘুস, দুর্নীতি ও নানা অনিয়ম করে কয়েক কোটি টাকার মালিক হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

এস এম তাজুল ইসলাম: শরীয়তপুরের জাজিরা সাবরেজিস্ট্রার অফিসের অফিস সহকারী আনোয়ার হোসেন মিল্টনের বিরুদ্ধে ঘুস, দুর্নীতি ও নানা অনিয়ম করে কয়েক কোটি টাকার মালিক হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঢাকার অভিজাত এলাকা বারিধারার জে ব্লকের সাউথ পয়েন্ট স্কুলের সামনের সুভাষ টাওয়ারে তার ফ্ল্যাট ও শরীয়তপুর শহরে পাসপোর্ট অফিসের সামনে তার স্ত্রী নিশি আক্তারের নামে রয়েছে প্লট। এ ছাড়া বে-নামে কয়েক স্থানে তার সম্পদ রয়েছে বলে জানিয়েছেন অভিযোগকারীরা। তাদের মতে, সরকারিভাবে চালানে সাড়ে সাত শতাংশ অর্থ জমা দেওয়ার কথা থাকলেও তাকে দিতে হয় ১০ থেকে ১২ শতাংশ। তাকে ‘খুশি’ না করে এ অফিসে কোনো দলিল হয় না।

শরীয়তপুর জেলা রেজিস্ট্রার ও জাজিরা উপজেলা সাবরেজিস্ট্রি অফিস সূত্রে জানা যায়, শরীয়তপুরের নড়িয়া পৌরসভার নড়িয়া থানার সামনে বৈশাখীপাড়া এলাকার বাসিন্দা নড়িয়া সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের সাবেক কেরানী ভূঁইয়া বাড়ির দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়ার ছেলে আনোয়ার হোসেন মিল্টন। তিনি ১৯৯৭ সালে শরীয়তপুর জেলা রেজিস্ট্রার অফিসে অস্থায়ী কর্মচারী হিসাবে (মাস্টার রোল) যোগ দেন। ২০১০ সালে মোহরার হিসাবে পদোন্নতি পান। ২০১৯ সালে তিনি জাজিরা উপজেলা সাবরেজিস্ট্রি অফিসে অফিস সহকারী হিসাবে যোগ দেন।

সেবা নিতে আসা ভুক্তভোগী ও দলিল লেখকরা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, প্রতিটি দলিলের ক্ষেত্রে প্রত্যেক গ্রাহককে উৎসে কর ২ শতাংশ, স্ট্যাপ দেড় শতাংশ, রেজিস্ট্রি বাবদ ১ শতাংশ ও স্থানীয় কর হিসাবে ৩ শতাংশ ব্যাংক চালানের মাধ্যমে জমা দিতে হয়। এর বাইরে প্রতিটি দলিলে নগদ এক হাজার থেকে তিন হাজার টাকা, সামান্য ভুলের জন্য আরও বিভিন্ন অঙ্কের টাকা তিনি আদায় করে থাকেন। আর এ টাকা সাবরেজিস্ট্রার, মহরার (২ জন), টিসি (২ জন) ও মিল্টনের মধ্যে ভাগ হয়। অতিরিক্ত অর্থের (ঘুসের টাকার) ৪৫ শতাংশ পান সাবরেজিস্টার, ২৫ ভাগ অফিস সহকারী ও ৩০ ভাগ মহরার পেয়ে থাকেন।

ভুক্তভোগীরা প্রশ্ন করেন, বর্তমানে মিল্টন ১৪ হাজার ৪৭০ টাকা স্কেলে বেতন পান। এ দুমূল্যের বাজারে যেখানে সংসার চালানোই দায়, সেখানে তিনি ঢাকাসহ বিভিন্ন জায়গায় কীভাবে জমি, প্লট ও ফ্ল্যাট কেনেন। বিষয়টি তদন্ত করে বিচারের আওতায় আনা হোক।

জাজিরা নাওডোবা এলাকার আলী আজগর বয়াতী বলেন, জাজিরা সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের অফিস সহকারীর কাছে নগদ টাকা দেওয়া ছাড়া কোনো দলিল হয় না। দলিলপ্রতি তাকে ১ হাজার থেকে ৩ হাজার টাকা দিতে হয়। এক দলিল লেখক (ভেন্ডার) বলেন, জাজিরা সাবরেজিস্ট্রি অফিসে ঘুস ছাড়া কোনো কাজ হয় না। কোনো কারণে দিনে দলিল না হলে ঘুস দিলে রাতে দলিল হয়ে যায়।

এসব বিষয়ে জানতে চাইলে আনোয়ার হোসেন মিল্টন বলেন, আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ করা হয়েছে তা ঠিক নয়। আমি আমার শ্বশুরবাড়ি থেকে সহায়তা পেয়েছি। পাশাপাশি আমার ভাইয়েরা প্রবাসে থাকে, তাদের সহায়তায় আমি এ সব সম্পদ কিনেছি। অফিসের কাজকর্ম নিয়মনীতি মেনেই করি।

জাজিরা উপজেলা সাবরেজিস্টার মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, আমার অফিসে কেউ দুর্নীতি করলে আমাকে লিখিতভাবে জানালে আমি ব্যবস্থা নেব। তবে এটা ঠিক কিছু কিছু টাকা নগদ নেওয়ার বিধান রয়েছে। ঘুসের অর্থের ভাগ আপনিও পান বলে অভিযোগ রয়েছে-এ বিষয়ে আপনি কী বলেন? এ কথা শুনে তিনি পরে যোগাযোগ করতে বলেন। পরে কয়েকদফা চেষ্টা করেও তার সঙ্গে আর দেখা করা বা কথা বলা যায়নি।

কমেন্ট

<<1>>

নাম *

কমেন্ট *

সম্পর্কিত সংবাদ

© ২০১৬ | এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি | dainikprithibi.com
ডিজাইন এবং ডেভেলপমেন্ট - মোঃ রেজাউল ইসলাম রিমন