Breaking News
* 'দেশের বিভিন্ন স্থানে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত' * 'শিক্ষক পদে নিয়োগের চূড়ান্ত সুপারিশ পেলেন ৩৪ হাজার' * 'দেশে করোনায় আরো মৃত্যু ১২, শনাক্ত ১১,৪৩৪' * 'র‌্যাব কাজেকর্মে অত্যন্ত দক্ষ, জনগণের আস্থা অর্জন করেছে': পররাষ্ট্রমন্ত্রী * 'করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে ৬ দফা জরুরি নির্দেশনা' * 'হজরত মুহাম্মদ (সা:)কে নিয়ে অপমানজনক পোস্ট শেয়ার করায় এক নারীর মৃত্যুদণ্ড' * 'রাশিয়ার জন্য চরম বিপর্যয় অপেক্ষা করছে' * 'ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা তৈরি করলো তুরস্ক' * 'আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ' * 'মাতুয়াইলে বাসচাপায় একই পরিবারের ৩ যাত্রী নিহত'
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বাধিক আলোচিত

POOL

বিচার ব্যবস্থার যত উন্নয়ন সব আওয়ামী লীগের সময়েই হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আপনি কি তাঁর সাথে একমত?

Note : জরিপের ফলাফল দেখতে ভোট দিন

'মহান বিজয়ের ৫০ বছরে আজকের বাস্তবতা'

16-12-2021 | 01:16 am
মুক্তচিন্তা

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে জাতীয় প্রেসক্লাব বর্ণিল আলোকসজ্জা সজ্জিত করা হয়েছে।

ঢাকা: এগুলো আমাদের চেতনার সঙ্গে ওতপ্রোত, আমাদের রাজনৈতিক চিন্তার সঙ্গে নাড়ীর মতোই পরিবাহী। আমরা সব সময় ওই শব্দগুলো মর্ম নিয়ে চলাফেরা করি। আমাদের সামাজিক চেতনাও ওই শব্দকে কেন্দ্র করেই ধাবমান থাকে। আমাদের কর্মপরিকল্পনায় দেশ-জাতি-প্রগতি-পরিকল্পিত উন্নয়ন, সাধারণের মৌলিক রাজনৈতিক অধিকার, বিবেক ও বৌদ্ধিক চেতনা ইত্যাদি সক্রিয় থাকে।

এ কথা ঠিক যে জাতিগতভাবে আমরা এগুলোই বিশ্বাস করি, ধারণ করি হৃদয়ে। কিন্তু গোষ্ঠীগতভাবে এসব শব্দের মানে ধরে এগোলেও তা স্বার্থের অন্ধকারে হারিয়ে যায়। আর ব্যক্তির চিন্তাভাবনার আলোকে স্বাধীনতা এমন এক ইমেজ সৃষ্টি করে যাকে কোনো সামাজিক শব্দে বর্ণনা করা যায় না। কারণ ব্যক্তি সাংবিধানিকভাবে তার অধিকার নিয়ে স্বাধীন। তার চেতনায় যা সত্য, যা তার কাছে ভালো বা মন্দ তা তারই ব্যক্তিগত বিষয়। কিন্তু সামাজিকভাবে সে সেই স্বাধীনতা ভোগ করে না, করতে পারে না। আবার রাজনৈতিকভাবে তো সে তার স্বাধীনতার কথাই বলতে পারে না। এমনি কি তার মতপ্রকাশের সাংবিধানিক অধিকারও প্রকাশ করতে পারে না। সরকারের ভুলত্রুটির সমালোচনা বা ভিন্ন মত প্রকাশের কথা ভাবতেও পারে না। বুয়েটের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ সাহস করে দেশের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের ও রাজনীতিকদের সমালোচনা করেছিল, সে কারণে সে নির্মমভাবে হত্যার শিকার হয়েছে। আরো কত আবরার যে ভিন্ন মতের ‘অপরাধে’ খুন হয়েছে, সে খবর কি আমরা রাখি? আমরা ভয়ে মুখ খুলি না। দেশে যে ভয়ের রাজনৈতিক সংস্কৃতি চালু হয়েছে, সেটা কি আমরা টের পাচ্ছি না? দেশে যে কর্তৃত্ববাদী শাসন চলছে, তার বহু উদাহরণই পৃথিবীর গণতান্ত্রিক সমাজ জানে এবং ক্রমাগত জানতেই থাকবে।

এই হচ্ছে গত ৫০ বছরের এবং আজকের বাস্তবতা। এই হচ্ছে আজকে ব্যক্তির স্বাধীনতা ভোগ ও উদযাপনের চেহারা।
আমরা কি এই স্বাধীনতাহীনতার জন্য ১৯৭১ সালে জান দিয়েছিলাম, দেশকে হানাদার-শত্রুমুক্ত করেছিলাম? আমরা পাকিস্তানি শাসনব্যবস্থা ও তাদের শোষণ থেকে মুক্ত হতে চেয়েছিলাম। দেশ স্বাধীন হয়েছে, বিজয় অর্জিত হয়েছে, পতাকা পেয়েছি, গৌরবের সঙ্গে সেই পতাকা বহন করছি, বক্তৃতা-বিবৃতিতে নিজেদের অবদানের ফুল- ঘুড়ি উড়াচ্ছি, কিন্তু সেই অনির্বচনীয় সুখ,শান্তি ও আনন্দ পাই না। কারণ শোষণমুক্ত হতে পারিনি আমরা। পাকিস্তানিরা, তারও আগে ব্রিটিশদের প্রশাসনিক রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন, শোষণ, মিথ্যাচার, নির্যাতন ও নিপীড়নের সব উপাদান উপকরণই স্বাধীন বাংলাদেশে চালু রয়েছে। সাধারণ মানুষ আজো তাদের সাংবিধানিক অধিকারবঞ্চিতই কেবল নয়, রাজনৈতিকভাবেও বঞ্চিত। এই বঞ্চনার জন্য আমরা তিরিশ লাখ মানুষের রক্তের বিনিময়ে দেশ স্বাধীন করিনি।

আমাদের স্মৃতি বড়-বেশি ভাঙা, ছেঁড়াখোঁড়া, নুলো-ভিখিরির মতো
স্বার্থের চুনসুরকির গাঁথুনির পর অমন রক্তাক্ত স্মৃতিকণা
কে বা মনে রাখে?
[টগর তোর স্বাধীনতা]
‘টগর, একজন মুক্তিযোদ্ধার নাম, এই নামটি আমার মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে জড়িয়ে আছে। আমার স্কুল ও ক্লাসমেট টগর দেশ স্বাধীন করতে মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছিল আমারই সঙ্গে, একই দিনে, একই সময়ে। কিন্তু টাঙ্গাইল স্বাধীন হলো ১১ ডিসেম্বর, কিন্তু টগর ফিরে এলো না। শুনেছি, তার পরদিন রণাঙ্গন থেকে ফেরার পথে স্ক্যাটার্ড হয়ে পড়া পাকিস্তানি একটি দলকে অ্যাম্বুশ করেছিল টগরের কোম্পানি। কিন্তু পরাজিত পাকিস্তানি সেনারা দিগি¦দিক জ্ঞানশূন্য হয়ে সেই অ্যাম্বুশকারীদের পেছনে এসে উপস্থিত হয় এবং দেখতে পায় মুক্তিযোদ্ধাদের অবস্থান। ব্রাশফায়ারে হত্যা করে তারা টগর ও সঙ্গীদের।
সেই বীর সেনানী টগরের কথা কি আমরা মনে রেখেছি? না, রাখিনি। টগরের মতো আরো হাজার হাজার মুক্তিযোদ্ধা জান দিয়ে এই বিজয় পতাকা অর্জন করেছে। তাদের সেই রক্তের দামে কেনা আমাদের ভূ-রাজনৈতিক স্বাধীনতা কি আমরা অর্থবহ করতে পেরেছি? এক কথায় না পারিনি। কেন পারিনি সেই হিসাব নেয়ার সময় আছে, কিন্তু আমরা কি সবাই জানি, গত পঞ্চাশ বছরে যেসব মানুষ জন্মেছে এই স্বাধীন-সার্বভৌম দেশে, তারা কি জানে আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের মূল কারণ। আমরা কি জানিয়েছি তাদের যে এসব অধিকার কায়েমের জন্য আমরা হাতিয়ার তুলে নিয়েছিলাম। আমাদের বঞ্চনার ইতিহাস কি আমাদের নতুন প্রজন্মের কানে পৌঁছে দিয়েছি সঠিকভাবে? আমরা কেবল ‘বঙ্গবন্ধুর এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম/এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’- এই বাণীবৈভব ছড়িয়ে দেয়া ছাড়া আর কি করেছি? আমরা ১৯৪৭ সাল থেকে ১৯৭১ সাল পর্য়ন্ত পাকিস্তানিদের হাতে পরাধীন ছিলাম, শোষিত-বঞ্চিত ও নির্মমভাবে নিগৃহীত হয়েছি, সেই ইতিহাস কি তাদের শিখিয়েছি? না শেখাইনি। আমরা কেবল বলেছি পাকিস্তানিরা দখলদার ছিল। তারা আমাদের ওপর হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিল। রাতের অন্ধকারে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল নিরীহ মানুষের ওপর। সেই হত্যাযঞ্জ থামিয়ে দিতে, দখলদারদের বাংলার মাটি থেকে উৎখাত করে নিজেদের রাজনৈতিক স্বাধীনতার পতাকা উড়াতে আমরা অস্ত্র তুলে নিয়েছিলাম হাতে।
কত গভীরভাবে শোষণ চালিয়ে আমাদের নিঃস্ব করেছিল পাকিস্তানি শাসকরা যে, আমাদের মনে হতো আমরা যেন তাদের উপনিবেশের বাসিন্দা, যেমনটা ব্রিটিশরা করেছে আমাদের সাথে। পাকিস্তানি ও ব্রিটিশদের মননগত সাম্য সৃষ্টি হয়েছিল তাদের শিক্ষা, মনন, মেধা ও দৃষ্টিভঙ্গিগত সাংস্কৃতিক হেগেমনির জন্য। পাকিস্তানিরাও মনে করত যে তারা সাংস্কৃতিকভাবে উন্নত এবং প্রাগ্রসর। সেই চিন্তা থেকেই তারা পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে উর্দুকে চাপিয়ে দিতে চেয়েছিল। ভাষা হিসেবে উর্দুর কোনো দোষ নেই। কিন্তু উর্দু-ভাষিক মানুষেরা ভাবত যে তারা উন্নত সংস্কৃতির অধিকারী। ব্রিটিশরাই এই চেতনার জন্মদাতা। তাদের উত্তরসূরি হিসেবে উর্দুওয়ালারা বাংলার জায়গায় উর্দু চাপাতে চেয়েছিল। এই যে কালচারাল হেগেমনি বা সাংস্কৃতিক আধিপত্য বিস্তারের রাজনৈতিক নেশা ও তা কায়েমে আমাদের হীনতর স্তরে নিয়ে যাওয়ার অপচেষ্টা, সেই বিষয়টি নতুন প্রজন্মের কানে পৌঁছাতে হবে। না হলে এই মিথ্যা ও বানোয়াট ইতিহাসের মনোবেদনা কোনো দিনই দূর হবে না আমাদের সাংস্কৃতিক চেতনা থেকে।
মন কি স্মৃতিতান্ত্রিক কিছু?
তার কি আছে গণতান্ত্রিক বোধ?
স্মৃতি নয় কোনো পার্থিব জাতীয় সংসদ,
হৃদয় সংসদ সে বড় কঠিন পরিসর,
হৃদয় সংসদ, সে বড় কোমল ঘাস-মাটি,
হৃদয় সংসদ, সে বড় ধারণাবাহিত শ্রমিকের উত্তরাধিকার
আমরা ভুলো মনের জাতি। তবে বাঙালিরা প্রতিহিংসাপরায়ণ নয়। হৃদয় এমন এক কল্পনা যার গতি প্রগতির চেয়ে কোটিগুণ বেশি। আমরা যে রাজনৈতিক উত্তরাধিকার বহন করছি, আমাদের রাজনৈতিক ইতিহাসের যেসব বাঁকে গণমানুষের অবদানের জোর রয়েছে, সেখানে আমাদের মনোনিবেশ করতে হবে। গণমানুষ ও গণমানুষের নেতা, দুই ভিন্ন প্রেক্ষাপটের অংশীদার। গণমানুষ তার গতির চাকা চালু রাখে তার উৎপাদনশীলতা দিয়ে, আর রাজনৈতিক নেতা তাদের গৌরবকে নিজেদের রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের বলে দাবি করে। এ ধরনের ফাঁপা দাবি ত্যাগ করতে হবে রাজনীতিকদের।

আজ কী বলার সময় হয়েছে যে আমাদের স্বাধীনতা অর্থবহ হয়ে প্রস্ফুটিত হয়নি কেন? কারণ মুক্তিযুদ্ধোত্তর বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল এমন একটি আর্থসামাজিক-রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক অবকাঠামো পুনর্গঠনের, তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্রশাসনিক ধারাও সংস্কৃত হবে যুগের চাহিদার সাথে তাল মিলিয়ে। কিন্তু তার কোনোটাই হয়নি।
আমলা নয়, মূল্যবান বিবেচিত হবে দেশের কর্মদক্ষ জনগণ। ওই জনগণই যুদ্ধ করে দেশটি স্বাধীন করেছে। কিছু দেশবিরোধী ৭ কোটি বাঙালিই দেশটি স্বাধীন করেছে। মুক্তিযোদ্ধাদের রাজনৈতিক পরিচয় যাই থাক না কেন, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয়েছে সত্য, মুক্তিসেনারা দেশের জন্য প্রাণ উৎসর্গ করেছিল অদম্য দেশপ্রেমে, এর চেয়ে বড় সত্য আর কী হতে পারে? তারা বাহবা পাওয়ার জন্য মুক্তিযুদ্ধ করেনি, সরকারের কাছে থেকে ভাতা পাওয়ার জন্য যুদ্ধ করেনি... তারা দেশের জনগণের দুঃখ-দুর্দশা লাঘবের জন্য অস্ত্র তুলে নিয়েছিল। কিন্তু দেশের ক্ষমতায় যারা বসল তারা মুক্তিযোদ্ধাদের মনের কথা, তাদের চাওয়ার ব্যাপারে ছিলেন উদাসীন। তাই দেশের আপামর জনগণের আশা আর নতুন পৃথিবীর প্রশাসনের স্ট্রাকচার কী হবে, কেমন হবে, তা তারা বুঝতে পারেননি। ব্রিটিশ-পাকিস্তানিদের পরিত্যক্ত প্রশাসন ব্যবস্থাই বহাল থাকায় স্বাধীন দেশের যে শোষণহীন সাম্যময় সমাজ গড়ে তোলার অভিলাষ ছিল, তা ভেস্তে গেল সূচনাতেই। রাজনৈতিক সরকারের প্রশাসনিক অদূরদর্শিতার ফলে প্রশাসনে মুক্তিযোদ্ধার চেয়ে কায়েমি স্বার্থান্বেষী পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর সঙ্গে কাজ করে চলা লোকেরাই মহানন্দে কাজ করে চলছিল। যে আত্মত্যাগের পর দেশ স্বাধীন হলো, তার ছিটেফোঁটাও প্রশাসনের ভেতরে দেখা যায়নি। যেহেতু প্রচলন প্রশাসনিক ধারাই কার্যকর, তাই দুর্নীতি ও দুর্বিপাক আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে ধরেছিল। যেটুকু সংস্কার চিন্তা ছিল তাও পুরনো লোকদের বাধায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। যাদেরকে পাকিস্তানি সামরিক সরকারের সহযোগী হিসেবে প্রশাসন থেকে বাদ দেয়া হয়েছিল ১-২ মাসের মধ্যেই তারা পুনর্বহাল হয়ে ফিরে এসে প্রশাসনের প্রগতিকে থামিয়ে দেয়। আমলাতান্ত্রিক জটিলতার দরুন সরকার নতুন কিছু কায়েম করতে ব্যর্থ হলেন। কিন্তু সরকারের নতুন বোতলে পুরনো মদ ঢেলে দেখানোর বিরুদ্ধে দেশের সিভিল সোসাইটি বা বুদ্ধিজীবীরা ‘রা’ কাড়েননি সে সময়। এর কারণ কী? শোষিত-বঞ্চিত মানুষের মুক্তির জন্য যারা তাদের ক্ষুরধার কলম বাগিয়ে পাকিস্তানি শাসকদের অমানবিক ও নির্মম যজ্ঞের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী ভূমিকা নিয়েছিলেন তার বহু উজ্জ্বল ইতিহাস আমরা জানি। সেই রাজনৈতিক সচেতন বুদ্ধিজীবীরা যেন ঘুমিয়ে গেলেন স্বাধীনতায় পৌঁছেই। গত শতকের গোটা ছয় এর দশকজুড়েই আমরা প্রত্যক্ষ করেছি তাদের প্রতিরোধী-কীর্তি। সেই বুদ্ধিজীবীরা স্বাধীনতা-উত্তরকালে টুঁশব্দটি করলেন না কেন? এর কারণ খুঁজে দেখতে হবে আমাদের। যারা প্রতিবাদী কলম উঁচিয়ে ছিলেন, তাদের কাউকে কাউকে থামিয়ে দেয়া হয়েছিল নানাভাবে। এই রাজনৈতিক অবদমন জনমনে ক্ষোভ সৃষ্টি করেছিল। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তাই তারা স্বস্তি পেয়েছিল বলেই মনে হয়েছে। এভাবেই আমাদের আনন্দের রাজসিক স্বাধীনতা নিরানন্দের গহ্বরে ঢুকে পড়ে। আমাদের রাজনৈতিক স্বাধীনতা কোনো সাফল্যই দেখাতে পারেনি। একটি শোষণমুক্ত সমাজ বিনির্মাণের জন্য ত্যাগ উৎসর্গিত হলেও তা ভুলভাবে পরিচালনার কারণে দেশের আপামর জনতার আশা দুরাশায় নিমজ্জিত হয়। সেখানে না স্বাধীনতার উত্তাল আনন্দ দেখতে পাই আমরা, না সুখী মানুষের মুখ।

কমেন্ট

<<1>>

নাম *

কমেন্ট *

সম্পর্কিত সংবাদ

© ২০১৬ | এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি | dainikprithibi.com
ডিজাইন এবং ডেভেলপমেন্ট - মোঃ রেজাউল ইসলাম রিমন