Breaking News
* 'বাংলাদেশ-ভারত দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধি ও সমৃদ্ধি চালাবে' * ‘কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ আইন’ প্রণয়নসহ ৬ দফা দাবি' * 'রোহিঙ্গা শিবিরে অভিযানে সন্ত্রাসী গ্রুপের তোহা বাহিনীর প্রধানসহ দুজন আটক' * 'নাইজেরিয়ায় আগুনে পুড়ে মারা গেছেন বাসের ৩০ যাত্রী' * 'বিশ্বজুড়ে করোনায় মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ৫২ লাখ ৮৬ হাজার' * 'অপরাধ করে কেউ ছাড় পাবে না': কাদের * 'সরকারই পারে চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠাতে, আইন কোনো বাধা না' * 'পদ্মা’ ও ‘মেঘনা’ নামেই হচ্ছে দেশে নতুন দুটি বিভাগ * মুরাদ হাসানকে আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদকের পদ থেকে অব্যাহতি * 'উপসাগরীয় অঞ্চলের সব দেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে কাজ করছে তুরস্ক'
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বাধিক আলোচিত
'বাংলাদেশ-ভারত দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধি ও সমৃদ্ধি চালাবে' ‘কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ আইন’ প্রণয়নসহ ৬ দফা দাবি' 'চতুর্থ ধাপের ইউপি নির্বাচনে বিনা ভোটে ২৯৫ জন প্রার্থী জয়ী' 'রোহিঙ্গা শিবিরে অভিযানে সন্ত্রাসী গ্রুপের তোহা বাহিনীর প্রধানসহ দুজন আটক' 'নাইজেরিয়ায় আগুনে পুড়ে মারা গেছেন বাসের ৩০ যাত্রী' 'বিশ্বজুড়ে করোনায় মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ৫২ লাখ ৮৬ হাজার' 'জননেত্রী শেখ হাসিনা ছাড়া কেউ অপরিহার্য নয়' 'অপরাধ করে কেউ ছাড় পাবে না': কাদের 'সরকারই পারে চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠাতে, আইন কোনো বাধা না' 'টিউলিপ সিদ্দিক সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের ছায়া অর্থমন্ত্রী নিযুক্ত'

POOL

বিচার ব্যবস্থার যত উন্নয়ন সব আওয়ামী লীগের সময়েই হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আপনি কি তাঁর সাথে একমত?

Note : জরিপের ফলাফল দেখতে ভোট দিন

ইরানে 'হোয়াইট ম্যারেজ' দিন দিন বেড়েই চলছে

20-11-2021 | 01:03 pm
অফবিট

মিতরা ইরানের গৃহসজ্জা ডিজাইনার। পুরুষ সঙ্গীকে নিয়ে তেহরানে বাস করেন। মিতরা এবং ৩২ বছর বয়সী ডাক্তার মোহসেন একসাথে থাকেন।

ডেস্ক : ‘আমাকে আমাদের না-জন্মানো শিশুটি ফেলে দিতে হবে, এটা ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত’। বলছিলেন ২৭ বছর বয়সী মিতরা। যিনি ইরানের গৃহসজ্জা ডিজাইনার। পুরুষ সঙ্গীকে নিয়ে তেহরানে বাস করেন। মিতরা এবং ৩২ বছর বয়সী ডাক্তার মোহসেন একসাথে থাকেন।

বিয়ে ছাড়াই এভাবে একসঙ্গে থাকাকে ইরানে বলা হয় 'হোয়াইট ম্যারেজ' বা সাদা বিয়ে। ইরানের সমাজের কড়া ইসলামী আইনে নারী-পুরুষের এভাবে একসাথে থাকা বিবাহপূর্ব যৌন সম্পর্কের মতই অবৈধ। কিন্তু তার পরও দেশটিতে এই সাদা বিয়ে চলছে। খবর বিবিসির।

‘মোহসেন এবং আমি আগে থেকেই এই চ্যালেঞ্জগুলো আগেই বুঝেছিলাম, কিন্তু তখন আমাদের সন্তান নেবার কোন পরিকল্পনা ছিল না’। বলছিলেন মিতরা।

শেষ পর্যন্ত তারা মত পাল্টালেন। তাদের আশা ছিল, ইরানের আইনের ফাঁকফোকর দিয়ে কোন-না-কোনভাবে তারা তাদের অনাগত শিশুটির একটি 'বার্থ সার্টিফিকেট' বা জন্ম নিবন্ধন সনদপত্র পেয়ে যাবেন। কিন্তু তাদের অনেক চেষ্টা সত্ত্বেও পরিস্থিতি তাদেরকে গর্ভপাতের দিকেই ঠেলে দিল।

'শ্বেত-বিবাহ' বাড়ছে ইরানেঃ
ইরানে এখন বিয়ের আগেই একসাথে থাকছে এমন তরুণ যুগলের সংখ্যা কত তার কোন সরকারি হিসেব নেই। কিন্তু এটা ক্রমশঃই সাধারণ ব্যাপারে পরিণত হচ্ছে, এবং ইরানের কট্টরপন্থী প্রশাসনের মাথাব্যথার কারণ হয়ে উঠছে।

ইরানে এই 'শ্বেত বিবাহে'র প্রচলন এতটাই বেড়ে গেছে যে দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়তোল্লাহ আলি খামেনি এক বিবৃতি দিয়ে এ ব্যাপারে তার গভীর আপত্তি প্রকাশ করেছিলেন।

এ শতাব্দীর প্রথম দশকেও ইরানে কোন যুবক-যুবতী সাদা বিয়ে করবে এমনটা অকল্পনীয় ছিল। কিন্তু এখন এরকম অবিবাহিত দম্পতির সংখ্যা ক্রমশঃই বাড়ছে।

ইরানের মহিলাদের মধ্যে জনপ্রিয় সাময়িকী 'জানান' ২০১৪ সালে এ বিষয়টি নিয়ে একটি বিশেষ সংখ্যা প্রকাশ করেছিল। তবে এর কয়েক মাস পর ২০১৫ সালের এপ্রিলে কর্তৃপক্ষ "বিয়ে না করে একসাথে থাকাকে উৎসাহিত করার" অভিযোগে ম্যাগাজিনটি নিষিদ্ধ করে।

এ ব্যাপারে ঠিক কি করা যায় - এ নিয়ে ইরানি কর্তৃপক্ষ একটা দ্বিধায় আছে বলেই মনে হয়।

ইরানের যুব বিষয়ক ডেপুটি মন্ত্রী মোহাম্মদ মেহদি তন্দগোইয়ান সম্প্রতি ইরনা বার্তা সংস্থাকে বলেছেন, "অবিবাহিত যুগলদের সন্তানদের একসময় তাদের জন্ম নিবন্ধন সনদ দরকার হবে - যখন তারা স্কুলে ভর্তি হতে যাবে।"

তিনি সতর্ক করে দেন যে বিষয়টির নিষ্পত্তি করতে ব্যর্থ হবার পরিণাম হবে বিপর্যয়কর।

ইরানে বিয়ের অনুষ্ঠান প্রায়ই ব্যয়বহুল হয়, আর এর খরচ দিতে হয় বরের পরিবারকে। আর বিয়ে ভেঙে গেলে স্ত্রীকে 'মাহরিয়েহ' হিসেবে যে অর্থ দিতে হয় - তাও দিতে হয় স্বামীকে। এর অংক হয় বেশ বড়, আর তা না দিতে পারলে জেলে যাবার সম্ভাবনা থাকে।

অধিকাংশ পর্যবেক্ষকই মনে করেন, ইরানে অনেক যুগলই তাড়াহুড়ো করে বিয়ে করতে চায় না এর কারণ হচ্ছে দেশটির ক্রমবর্ধমান বিবাহবিচ্ছেদের হার।

ইরানের একজন সমাজকল্যাণ সংস্থার একাংশের পরিচালক ফারহাদ আঘতার বলছেন, ইরানে প্রতি পাঁচটি বিয়ের একটি বিবাহবিচ্ছেদ হয়। সারা ইরানের মধ্যে রাজধানী তেহরানে বিবাহবিচ্ছেদের হার সবচেয়ে বেশি।

ইরানী সমাজবিজ্ঞানী মেহেরদাদ দারভিশপুর। যিনি এখন সুইডেনে থাকেন। তিনি বলেন, "এটা বলতেই হবে যে ইরানের সমাজের অধিকতর ধার্মিক অংশ বিয়ে ছাড়া নারীপুরুষের একসাথে থাকা গ্রহণ করে না। কিন্তু বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতই ইরানের মধ্যবিত্ত শ্রেণী ধীরে ধীরে ঐতিহ্যগত বিয়ের তুলনায় এটাকেই বেশি পছন্দ করতে শুরু করেছে। বিয়ের আগে যৌন সম্পর্ক এখন আর কোন 'ট্যাবু' নয়"।

ইরানের আইনে বিয়ের বাইরে কোন নারী-পুরুষের শারীরিক সংস্পর্শ ঘটলে তা দণ্ডনীয় অপরাধ - যার জন্য ৯৯টি বেত্রাঘাতের মত শাস্তির বিধান রয়েছে। একারণে যে যুগলরা এরকম সাদা বিয়ে করেছেন -তারা এটা নানাভাবে গোপন রাখেন যাতে লোকের চোখে তা ধরা না পড়ে।

ইরানের আরাক শহরে তার ছেলেবন্ধুকে নিয়ে বসবাস করেছেন মারজান। তিনি বলছেন, তাকে চার বার বাসা বদল করতে হয়েছে কারণ বাড়িওয়ালা জেনে গিয়েছিল যে তিনি এবং তার ছেলেবন্ধু বিবাহিত নয়। তারা প্রতিদিন জিজ্ঞেস করতো 'তোমরা কবে বিয়ে করবে,' কবে আংটি কিনবে?' তখন আমি ভাবলাম ওরা আমার ওপর নজর রাখছে - এখন আমাকে নতুন বাসা দেখতে হবে।"

ইরানের আইনজীবী ও নারী অধিকারকর্মী মেহরাঙ্গিজ কারের কথায় "একটা বড় সমস্যা হলো, বিয়ে ছাড়া একসঙ্গে থাকাটা যেহেতু বেআইনি - তাই কোন সমস্যা হলে এসব যুগলদের আইনি সহযোগিতা পাবার সুযোগ নেই। সাদা বিয়ে করেছেন এমন কোন নারী যদি অত্যাচারিত হন তাহলে তিনি পুলিশের কাছে যেতে পারেন না, কারণ তাহলে তিনি ও তার সঙ্গী উভয়কেই ব্যাভিচারের দায়ে গ্রেফতার করা হবে।"

কমেন্ট

<<1>>

নাম *

কমেন্ট *

সম্পর্কিত সংবাদ

© ২০১৬ | এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি | dainikprithibi.com
ডিজাইন এবং ডেভেলপমেন্ট - মোঃ রেজাউল ইসলাম রিমন