Breaking News
* 'লকডাউনের মেয়াদ আগামী ১৫ জুলাই পর্যন্ত বাড়লো' * 'পুতিন-বাইডেনের প্রথম মুখোমুখি বৈঠক অনুষ্ঠিত' * 'গণমাধ্যমকর্মীদের ৪৫ শতাংশ মহার্ঘভাতা নিশ্চিত করতে আইন প্রণয়ন করা হয়েছে' * 'সরকার একটা ঘটনার পেছনে আরেকটি প্রসঙ্গ দাঁড় করিয়ে দেয়' * 'দুর্নীতি ও অপকর্মের সঙ্গে জড়িতদের কোনোভাবেই মনোনয়ন দেয়া হবে না' * 'যুক্তরাষ্ট্রে শিকাগো ও আলবামা অঙ্গরাজ্যে বন্দুক হামলায় ছয়জন নিহত' * 'পাকিস্তানের পার্লামেন্ট ভবনে তুমুল হট্টগোল ও ধস্তাধস্তি' * 'ইসলামি বক্তা আবু ত্ব-হা আদনানের বিষয়টি শুনেছি, গুরুত্ব দিয়ে দেখছি': স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী * 'সাংবাদিক জামাল খাসোগির হত্যাকাণ্ড নিয়ে নতুন তথ্য' * 'বিশ্বশক্তির সঙ্গে টানাপোড়েনের মধ্যে ইউরেনিয়াম ৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ করেছে ইরান'
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বাধিক আলোচিত
রাজা-বাদশা' গ্রুপের ভুয়া বিজ্ঞানী সাইফুল-স্ত্রী-ছেলেসহ ১৬ জন গ্রেপ্তারে 'লকডাউনের মেয়াদ আগামী ১৫ জুলাই পর্যন্ত বাড়লো' 'পুতিন-বাইডেনের প্রথম মুখোমুখি বৈঠক অনুষ্ঠিত' 'বিদেশগামীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ভ্যাকসিন দেওয়ার অনুরোধ বায়রার' 'নিখোঁজ ইসলামী বক্তা আদনানকে ফিরে পেতে প্রধানমন্ত্রী কাছে আকুল আবেদন' 'শেখ হাসিনার জন্ম তারিখ ঠিক আছে কি-না সেটি নিয়ে সংশয় জাফরুল্লাহর' 'সরকার একটা ঘটনার পেছনে আরেকটি প্রসঙ্গ দাঁড় করিয়ে দেয়' 'দুর্নীতি ও অপকর্মের সঙ্গে জড়িতদের কোনোভাবেই মনোনয়ন দেয়া হবে না' '২০ কোটি টাকার সম্পদ আত্মসাতের অভিযোগে মামুনুল হকসহ ৪৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা' 'যুক্তরাষ্ট্রে শিকাগো ও আলবামা অঙ্গরাজ্যে বন্দুক হামলায় ছয়জন নিহত'

POOL

প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে আলাপ-আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে যেকোনো সমস্যার সমাধান হওয়া উচিত বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।আপনি কি তার সাথে একমত?

Note : জরিপের ফলাফল দেখতে ভোট দিন

'ঘরবাড়ি নির্মাণের ক্ষমতা থাকলেও দরজা বানানোর সামর্থ্য নেই '

23-04-2021 | 04:16 pm
বিচিত্র পৃথিবী

ভারতের মহারাষ্ট্রের নাভাসা জেলার একটি গ্রাম এখন খবরের শিরোনামে। আহমেদনগর থেকে গ্রামটি ৩৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।

ডেস্ক : ভারতের মহারাষ্ট্রের নাভাসা জেলার একটি গ্রাম এখন খবরের শিরোনামে। আহমেদনগর থেকে গ্রামটি ৩৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। গ্রামটির নাম শিংনাপুর।

অনেকে মজা করে একে সিঙ্গাপুরও বলে।

গ্রামটিতে অবস্থিত শনি মন্দিরের দেবতার নামানুসারেই রাখা হয়েছে এর নাম। ওই মন্দিরের কারণেই গ্রামটি আশপাশের এলাকায় সুপরিচিত।

তবে তার থেকেও যে বিস্ময়ের কারণে গ্রামটি খবরের শিরোনাম, তা হচ্ছে— দুই শতাধিক বসতবাড়ির এই গ্রামটিতে নেই কোনো প্রবেশ দরজা।

চাইলে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টাই যে কেউ যে কারও ঘরে প্রবেশ করতে পারবে। সব বাসিন্দার ঘরের দরজা খোলা থাকে। খোলা থাকে মানে, কারোর বাড়িতেই নেই প্রবেশের দরজা। এ কারণে চাইলেও দরজা বন্ধ করার সুযোগ নেই।

কেবল একটি ঘরের দরজা রয়েছে সেখানে, সেটি হচ্ছে— ওই গ্রামে অবস্থিত একটি ব্যাংকের। দরজা থাকলেও তাতে অবশ্য কোনো তালা ঝোলানো নেই। চাইলে যে কেউ কারও অলক্ষ্যে প্রবেশ করতে পারবে ভেতরে।

জানা গেছে, ২০১১ সালে ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত একটি ব্যাংকের শাখা খোলা হয় সেখানে। ব্যাংক খোলার পরিকল্পনার সময় গ্রামবাসীর সঙ্গে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ আলোচনার করে স্থির করে যে, ব্যাংকের দরজা থাকলেও তা হবে স্বচ্ছ গ্লাসের আর থাকবে না কোনো তালা।

ঘরবাড়ি নির্মাণের ক্ষমতা থাকলেও দরজা বানানোর কি সামর্থ্য নেই সিঙ্গাপুরের গ্রামবাসীর? এ কেমন রহস্য?

আসলে গ্রামটিতে প্রচলিত ৩০০ বছর এক লোককথাকে বিশ্বাস করেই ঘরে দরজা লাগান না তারা।

প্রচলিত আছে— প্রায় ৩০০ বছর আগে গ্রামটিতে একবার প্রচণ্ড বৃষ্টি ও বন্যা হয়। বন্যা শেষ হলে গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া পানাশালা নদীর তীর থেকে উদ্ধার হয় বিশালাকৃতির কালো রঙের একটি পাথর।

এক রাখাল তার হাতের লাঠি দিয়ে পাথরটিকে স্পর্শ করতেই সেটি থেকে নাকি অঝোর ধারায় রক্ত বইতে শুরু করে। গ্রামের সব মানুষ ভয়ে দিশেহারা হয়ে দিগ্বিদিক ছুটতে শুরু করে। তার পর হঠাৎ করেই কোনো এক অদৃশ্য শক্তির প্রভাবে সবাই নাকি ঘুমিয়ে পড়ে।

সবাই যখন গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন ছিল, তখন সবাইকে স্বপ্নে দেখা দেয় শনি দেবতা। সবাইকে তিনি জানান যে, এই মূর্তি তারই প্রতিমূর্তি। যদি তারা ঠিকভাবে তার উপাসনা করে তা হলে সবার মুক্তি ও নিরাপত্তা দেবেন ঈশ্বর। নইলে এই রক্তের ধারা বন্ধ হবে না।

তার উপাসনার জন্যে দুটি শর্তজুড়ে দেন। প্রথমত এই গ্রামের কোনো জায়গায় পবিত্র মূর্তিটিকে রাখতে হবে। দ্বিতীয়ত গ্রামের কেউ তাদের ঘরের দরজা কখনই বন্ধ করতে পারবে না। সেই থেকেই এমনভাবে চলে আসছে গ্রামটিতে।

তথ্যসূত্র: বিবিসি, কলকাতা২৪।

কমেন্ট

<<1>>

নাম *

কমেন্ট *

সম্পর্কিত সংবাদ

© ২০১৬ | এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি | dainikprithibi.com
ডিজাইন এবং ডেভেলপমেন্ট - মোঃ রেজাউল ইসলাম রিমন